Eid er din sokal

 ছোটবেলা থেকে দেখেছি,ইদের দিন সকালে আম্মু খুব ভোরে উঠে গোসল করেই, নতুন জামা পরে, সর্বপ্রথম সেমাই রান্না করে।আমাদেরও ডেকে দেয়,এক এক করে পরিবারের বাকি সদস্য রাও গোসল করে নতুন জামা পরি।আব্বু আর আমার ভাই সেমাই খেয়ে মসজিদে চলে যেত।আব্বু কখনো মসজিদে যাওয়ার আগেই সালামি দিয়ে যেত,আবার কখনো নামাজ পড়ে এসে।এই যে আম্মু একজন গৃহিণী, কত রান্না করতে হয় তবুও কিন্তু সে ঠিকই নতুন জামা পরতো,ইদের আনন্দ থেকে নিজেকে কখনো বঞ্চিত করেনি।এমনটাই তো হওয়া উচিৎ সবার। কারো হয়তো কাজ বেশি, তবুও ইদের দিনের আনন্দ উপভোগ করার জন্য হলেও নিজের জন্য সময় বের করতে হবে। নিজেকে পরিপাটি রাখতে হবে। মুসলিম দের পবিত্র দুটো ইদের জন্য আমরা কত অপেক্ষা করি। রমজানের ইদ তো ৩০ টা রোজা রাখার পর পাই।হালাল উৎসবের প্রতি কেন এতো অবহেলা, কেন এতো অভিযোগ? 

ইদ আসার আগে অনেকেই বলতে থাকে, কিচ্ছু পরবে না,কখনো নতুন পোশাক থাকলেও পরে না,শুধু ঘুমায়।অথচ এরাই আবার হারাম দিবসে সাজসজ্জা করে ঘুরেবেড়ায়!কত কত ডে পালন করে, কিন্তু ইদ নিয়েই তাদের যত অলসতা।

জীবনে কষ্ট থাকবেই, সবারই থাকে।হয়তো কারো বেশি, কারো কম তবুও সবাই এটা অনুভব করে।যত যাই হোক এই একটা দিন সব দুঃখ কষ্ট একপাশে রেখে, ইদের আনন্দ করতে হবে। আল্লাহর এতো সুন্দর নেয়ামত থেকে নিজেকে বঞ্চিত কেন করবেন?

সকালে না হোক বিকেল,যেকোনো একটা সময় নিজেকে পরিপাটি করে, সাজুগুজু করে আপনজনদের সাথে আনন্দ করা, ঘুরতে যাওয়া এসব কিন্তু অনেক শান্তির আলহামদুলিল্লাহ। 

Post a Comment

Previous Post Next Post